মেনু নির্বাচন করুন

রয়মনেন নেছা মহিলা কলেজ

  • সংক্ষিপ্ত বর্ণনা
  • প্রতিষ্ঠাকাল
  • ইতিহাস
  • প্রধান শিক্ষক/ অধ্যক্ষ
  • অন্যান্য শিক্ষকদের তালিকা
  • ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা (শ্রেণীভিত্তিক)
  • পাশের হার
  • বর্তমান পরিচালনা কমিটির তথ্য
  • বিগত ৫ বছরের সমাপনী/পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল
  • শিক্ষাবৃত্ত তথ্যসমুহ
  • অর্জন
  • ভবিষৎ পরিকল্পনা
  • ফটোগ্যালারী
  • যোগাযোগ
  • মেধাবী ছাত্রবৃন্দ

কলেজ প্রতিষ্ঠার সভা অনুষ্ঠিত হয় ১২/০১/১৯৯৩ সালে। সভাপতিত্ব করেন তৎকালীন জেলা প্রশাসক জনাব মোঃ ইয়াকুব আলী। প্রধান সমন্বয়ক উপজেলা নির্বাহি অফিসার জনাব নাওশের আহমেদ চৌধুরী। কার্যকরী কমিটির সভাপতি মনোনীত হোন জেলা প্রশাসক মহোদয়, সদস্য সচিব জনাব রেজ-ই-চৌধুরী, মোট সদস্য ২১ জন। উপদেষ্টা কমিটির সংখ্যা ৭ জন। একাডেমিক কমিটির প্রধান অধ্যক্ষ (অবঃ) মতিউর রহমান। অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেন জনাব মাকসুদুল হক বাবলু (পরিচালক, মতলব সুর্য মুখী কচি-কাচার মেলা)। ভবন নির্মাণ শুরু হয় ১৮/০৩/১৯৯৩ তারিখে পবিত্র মিলাদের মধ্য দিয়ে। প্রথম পর্যায়ে শ্রেণী কার্যক্রম পরিচালিত হত মতলব জে.বি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র মিলনায়তনে। ০৪/১০/১৯৯৩ তারিখে ১ম উদ্বোধনী ক্লাস অনুষ্ঠিত হয়। উপস্থিত ছিলেন তৎকালীন মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব নুরুল হুদা (এম.পি)। মোট ৫০৭ জন ছাত্রী নিয়ে এর গর্বিত পদযাত্রা শুরু হয়। এই এখন উজ্জ্বল আলোয় উদ্ভাসিত এখন নিজস্ব ক্যাম্পাসে। বর্তমানে প্রায় ৯শ ছাত্রী এতে অধ্যয়ন করছে।

১৯৯৩

এদেশের জনগনের অর্ধেকের বেশি হচ্ছে নারী। দেশের সার্বিক উন্নয়নে নারীদের সকল ক্ষেত্রে অংশগ্রহণ অপরিহার্য। অশিক্ষিত নারী, জাতীয় উন্নয়নে ভুমিকা রাখতে পারেনা। তাই নারী শিক্ষার মহান উদ্দেশ্য নিয়ে মতলব দক্ষিণ উপজেলার সদরে চরমুকুন্দি গ্রামে গড়ে উথেছে উপজেলার নারী শিক্ষার সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ "রয়মনেন নেছা মহিলা ডিগ্রি কলেজ"। ১৯৯৩ সালের ২২ জানুয়ারি তৎকালীন জেলা প্রশাসক জনাব মোঃ ইয়াকুব আলির সভাপতিত্বে মতলব উপজেলা মিলনায়তনে উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সরকারী ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের গণ্যমান্য ব্যক্তি , রাজনৈতিক, সামাজিক ও ব্যবসায়ি বৃন্দের উপস্থিতিতে এক জনাকির্ন সভায় মতলব উত্তর উপজেলাধীন গাজিপুর গ্রামের কৃতি সন্তান বিশিষ্ট শিল্পপতি, জনাব আলহাজ গিয়াস উদ্দিন আহমাদ তার জান্নাত বাসিনী মায়ের নামে "রয়মনেন নেছা মহিলা কলেজ" প্রতিষ্ঠা করেন। এইবং তিনি ঐ সভায় ২৫ লক্ষ তাকা অনুদান প্রদানের ঘোষণা দেন। বলাবাহুল্য তার একক প্রচেষ্টায় প্রায় ৩ কোটির বেশি টাকা এ পর্যন্ত কলেজ বিনির্মাণে ব্যয় করেন। প্রতিষ্ঠাতার একক প্রচেষ্টায় কলেজ আজ সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

ছবি নাম মোবাইল ইমেইল
মোঃ ইমদাদুল হক ০১৮১৯১৫৬৭৭৪ ok@yahoo.com

ছবি নাম মোবাইল ইমেইল

উচ্চমাধ্যমিক

একাদশ২৯৭
দ্বাদশ৩১৭

 স্নাতক

                                                                      ২০১৩-১৪ সেশন                                                                                                          ৭৫ জন

75

নংনাম পদবী
০১জনাব হাসান আহমেদসভাপতি
০২আলহাজ বোরহান উদ্দিন আহমেদপ্রতিষ্ঠাতা সদস্য
০৩জনাব হেদায়েত উল্লাহদাতা সদস্য
০৪জনাব হাসান ইমামবিদ্যোৎসাহী
০৫জনাব দেওয়ান রেজাউল করিমবিদ্যোৎসাহী
০৬জনাব এস.এম সেলিমবিদ্যোৎসাহী
০৭জনাব ফজলুল হকবিদ্যোৎসাহী
০৮জনাব মজিবুল হকহিতৈষী সদস্য
০৯জনাব আবু জাফর মোঃ মহিউদ্দিনঅভিভাবক প্রতিনিধি
১০জনাব ফারুক আহমেদ বাদলঅভিভাবক প্রতিনিধি
১১জনাব মোঃ আলম খানঅভিভাবক প্রতিনিধি
১২জনাব মোঃ মাহবুবুর রহমানশিক্ষক প্রতিনিধি
১৩জনাব মোঃ শফিউল্লাহশিক্ষক প্রতিনিধি
১৪জনাব মোঃ শাহ নেওয়াজ ভুইয়াশিক্ষক প্রতিনিধি
১৫জনাব মোঃ ইমদাদুল হকসচিব

এইচ.এস.সি

সালপাশের হার
২০১০৭৫.৮০
২০১১৫৫.৮৫
২০১২৬৪.০০
২০১৩৩৮.৮৭
২০১৪৪৭.৩৭

স্নাতক

২০০৭১০০
২০০৮৪০
২০০৯৫৮
২০১০৮০.৮৫
২০১১৯১.১১
২০১২প্রক্রিয়াধীন

উচ্চ মাধ্যমিক ও স্নাতক স্রেনিতে উপবৃত্তি চালু রয়েছে। এছাড়া বরদ/ব্যাংক/ সমাজ কল্যান অধিদপ্তর ও বিভিন্ন ট্রাস্ট থেকে ছাত্রীরা বৃত্তি পেয়ে থাকে।

১৯৯৩ থেকে ২০১৩ পর্যন্ত উচ্চ মাধ্যমিক পরিক্ষায় এ+ পেয়েছে ১৪ জন। এবং স্নাতক শ্রেণিতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ৯ জন ছাত্রী ১ম বিভাগে উত্তীর্ণ হয়েছে। রয়মনেন নেছা মহিলা কলেজ থেকে পাশ করে ছাত্রীরা বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় হতে সুনামের সাথে পরিক্ষায় অংশগ্রহণ করে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেছে এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত রয়েছে।

একটি পুর্নাঙ ডিগ্রি কলেজে রুপান্তরিত করতে বি.এস-সি কোর্স চালু করন, স্থগিত অনার্স ও মাস্টার্স কোর্স পুনঃচালুকরণ এবং পর্যায়ক্রমে স্নাকোত্তর ডিগ্রির অন্যান্য বিসয় সমূহ চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া কলেজ সংলগ্ন জমিতে মরহুম প্রতিষ্ঠাতা আলহাজ গিয়াস উদ্দিন আহ্মাদ এর নামে একটি বালিকা বিদ্যালয় করার পরিকল্পনা রয়েছে।

মতলব সদরে অবস্থিত বিধায় যে কোন যানবাহনে কলেজে আসা যায়।



Share with :

Facebook Twitter