মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

ইনোভাশন কার্যক্রম

সম্মানিত মুখ্য সমন্বয়ক (SDG )মহোদয়ের সদয় অবগতির জন্য

জেলা প্রশাসন চাঁদপুর কর্তৃক গত 20 মাসে গৃহীত বিশেষ উদ্যোগ এবং উদ্যোগসমূহের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কিত প্রতিবেদনঃ

 

ক্রম

কার্যক্রম

অগ্রগতি

মন্তব্য

1

জেলার 8টি  উপজেলা ভূমি অফিসে ল্যান্ড অটোমেশন কার্যক্রম (অনলাইনে নামজারি)

2016 সালের জানুয়ারি মাসে জেলার সকল উপজেলা ভূমি অফিসে ল্যান্ড অটোমেশনের কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়। এ পর্যন্ত 35372টি নামজারী আবেদন নিষ্পত্তির মাধ্যমে প্রায় 2 লক্ষ 30 হাজার লোকের সেবা প্রদান করা হয়েছে। এ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। উল্লেখ্য, 2015 সালের আগষ্ট মাসে প্রথম চাঁদপুর সদর উপজেলা ভূমি অফিসে পরীক্ষামূলক ভাবে এ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছিল।

 সুষ্ঠুভাবে কাজ চলছে। প্রতিনিয়ত জনগণ সেবা গ্রহণ করছে।

2

সকল উপজেলা ভূমি অফিসে সিসি ক্যামেরা এবং বায়োমেট্রিক হাজিরা চালু

 এ জেলার 8টি উপজেলা ভূমি অফিসে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। সকল উপজেলা ভূমি অফিসে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের যথাসময়ে অফিসে উপস্থিতি নিশ্চিত করার জন্য বায়োমেট্রিক হাজিরা চালু করা হয়েছে।

কর্মচারীদের যথাযথ অফিসে উপস্থিতি নিশ্চিত হয়েছে এবং মাঝে মাঝে হাজিরা পরীক্ষা করা হচ্ছে।

3

সকল উপজেলা ভূমি অফিসে সেবাঘর স্থাপন

সকল উপজেলা ভূমি অফিসে সেবা গ্রহীতাদের সমস্যা সম্পর্কে অবহিত হয়ে পরামর্শ প্রদানের জন্য ‘সেবাঘর’ স্থাপন করা হয়েছে।

 প্রতিনিয়ত সহকারী কমিশনারগণ  সেবা ঘরে বসছেন এবং জনগণের কথা শুনে সেবা প্রদান অব্যাহত রয়েছে।

4

সকল উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে সিসি ক্যামেরা এবংবায়োমেট্রিক হাজিরা চালু

এ জেলার 8টি উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে সিসি ক্যামেরা এবং কর্মচারীদের হাজিরা নিশ্চিত করার স্বার্থে বায়োমেট্রিক হাজিরা চালু করা হয়েছে।

কর্মচারীদের যথাযথ অফিসে উপস্থিতি নিশ্চিত হয়েছে এবং মাঝে মাঝে হাজিরা পরীক্ষা করা হচ্ছে।

5

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে বায়োমেট্রিক হাজিরা চালু

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে কর্মরত কর্মকর্তা কর্মচারীদের যথাসময়ে অফিসে উপস্থিতি নিশ্চিত করার জন্য বায়োমেট্রিক হাজিরা চালু করা হয়েছে।

কর্মচারীদের যথাযথ অফিসে উপস্থিতি নিশ্চিত হয়েছে এবং সপ্তাহে দুই দিন হাজিরা পরীক্ষা করা হচ্ছে।

6

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, সার্কিট হাউজ এবং জেলা প্রশাসকের বাংলোতে সিসিটিভি স্থাপন করা হয়েছে।

অতিথি এবং সাধারণ মানুষের আগমন রেকর্ড ও মনিটরিং করা হচ্ছে।

 

7

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নাগরিক সনদ প্রণয়ন ও নাগরিক সেবা সহজীকরণ

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের 37 টি সেবাকে একত্রিত করে নাগরিক সনদ প্রণয়ন করা হয়েছে। জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সকল শাখার সামনে নাগরিক সেবা সনদ প্রদর্শন করা হয়েছে। যার মাধ্যমে সেবা গ্রহীতা তাঁর সেবা  প্রাপ্তির জন্য খরচ  এবং সেবা প্রাপ্তির সময় সম্পর্কে সহজে জানতে পারে। এতে জনগণের হয়রানি লাঘব হচ্ছে।

প্রতিটি শাখার কর্মচারীকে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। নাগরিক সনদ অনুসরণ করে দ্রুত সেবা নিশ্চিত করা হচ্ছে এবং এর ফলে TCV  বাস্তবায়িত হয়েছে। গত সেপ্টেম্বর 2016 মাস হতে এ পর্যন্ত 540 টি সেবা নাগরিক সনদ অনুসরণ করে প্রদান করা হয়েছে।

8

সমন্বিত নাগরিক সনদ প্রণয়ন ও Citizen Help Desk নামক মোবাইল এ্যাপস তৈরী।

জেলার 61টি দপ্তরের 804টি সেবা নিয়ে সমন্বিত নাগরিক সনদ প্রণয়ন ও Citizen Help Desk নামক মোবাইল এ্যাপস তৈরী করা হয়েছে । উক্ত এ্যাপসটি গুগল এ্যাপস স্টোর থেকে সহজেই ডাউনলোড করে যে কেউ ব্যবহার করতে পারছেন।

 নাগরিক  সেবা সহজীকরণের জন্য এটি সহায়ক হিসেবে কাজ করছে। এ্যাপসটি ব্যবহার করে যে কোন স্থান থেকে সাধারণ জনগণ তার প্রাপ্য সেবা সম্পর্কে অনলাইনে জানতে পারে।

9

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য সুপেয় নিরাপদ পানির প্লান্ট স্থাপন।

জেলা প্রশাস‌কের কার্যাল‌য়, চাঁদপু‌রে কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মচারী এবং বি‌ভিন্ন সেবা ও ক‌র্মের জন্য আগত সাধারণ লোকজনের জন্য ফ্রি সু‌পেয়, নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পা‌নির ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রতিদিন প্রায় ২০০জন লোক এ সুবিধা নিচ্ছে।

 চলমান

10

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের 6 টি সেবাকে অনলাইনে প্রদান

জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে   ডিলিং লাইসেন্স, ইটভাটা লাইসেন্স,  ফার্নেস ওয়েল,  ভেন্ডর লাইসেন্স, অস্ত্রের লাইসেন্স ও হোটেল রেস্তোঁরার লাইসেন্স এ ছয়টি সেবা অনলাইনে প্রদান করা হচ্ছে।

 গত আগস্ট 2016 মাস হতে এ পর্যন্ত 230 টি ডিলিং লাইসেন্স অনলাইনে দেয়া হয়েছে।

11

কল সেন্টার চালু

শাহরাস্তি উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে কল সেন্টার চালু করা হয়েছে। যেখান থেকে সাধারণ জনগণ যে কোন মোবাইল অপারেটর থেকে 01719444444 নাম্বারে ফোন করে তার বিভিন্ন সমস্যার দ্রুত সমাধান পেতে পারে।

 গত আগস্ট 2016 মাস হতে এ পর্যন্ত কল সেন্টারের মাধ্যমে 5700 জন সেবা গ্রহণ করেছে।

12

জেলা ব্র্যান্ডিং

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক “সিটি অব হিলশা ইলিশের বাড়ী চাঁদপুর” নামে চাঁদপুর জেলাকে ব্র্যান্ডিং করা হয়েছে এবং ইলিশকে কেন্দ্র করে  এ জেলায় পর্যটন বিকাশসহ বিভিন্ন ‍উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড গ্রহণ করা হয়েছে।

 জেলা ব্র্যান্ডিং কার্যক্রমকে গতিশীল করতে মা ইলিশ রক্ষা, জাটকা রক্ষার ব্যাপক কার্যক্রম সফলভাবে সমাপ্ত করা হয়েছে। এছাড়া জেলা ব্র্যান্ডিং কার্যক্রমকে সহায়তা দিতে Promotional Item হিসেবে কোর্ট পিন, প্রকাশনা,  টি শার্ট, ইলিশ ছড়ার বই, ইলিশ রেসিপি, ব্র্যান্ডিং মিউজিয়াম প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। ঢাকায় জেলা ব্র্যান্ডিং ফেস্টিভ্যাল ও চাঁদপুরে ইলিশ মেলার আয়োজন করা হয়েছে।

13

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়সহ জেলার 120টি প্রতিষ্ঠানে ফ্রি-ওয়াই ফাই জোন প্রতিষ্ঠা।

জেলা প্রশাসনের নেতৃত্বে জেলা শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থান ফ্রি Wi-Fi জোনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে । গত এক বছরে প্রায় 120টি ফ্রি Wi-Fi জোন প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এ জোনগুলো হতে প্রতিদিন প্রায় 2000 জন ব্যক্তি ইন্টারনেট সুবিধা গ্রহণ করছে।

কার্যক্রম চলমান

14

213 টি প্রতিষ্ঠানে সিসি ক্যামেরা স্থাপন

জেলা পর্যায়ের অধিকাংশ অফিস এবং জেলার সকল উপজেলা পরিষদ এবং থানা গুলোতে আইপি ক্যামেরা দিয়ে সিসিটিভি বসানো হয়েছে। কচুয়া উপজেলা সদরে 66টি ক্যামেরা স্থাপন করে নিরাপত্তা বেষ্টনী গড়ে তোলা হয়েছে। চাঁদপুর জেলা শহরের প্রতিটি রাস্তা সিসিটিভির আওতায় আনার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এ পর্যন্ত ২১৩টি অফিস ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সিসিটিভির আওতায় আনা হয়েছে।

কার্যক্রম চলমান

15

ই-ইলিশ বাজার প্রতিষ্ঠা

নভেম্বর ২০১৬ মাসে চাঁদপুর জেলায় ই-ইলিশ বাজার প্রতিষ্ঠা করা হয়, যেটি বাংলাদেশের প্রথম অনলাইন মাছের বাজার।

 বর্তমানে টেকনিক্যাল Îæটিমুক্ত করার চেষ্টা চলছে

16

চাঁদপুর জেলাকে বাল্যবিবাহ মুক্ত করতে কর্মসূচি গ্রহণ

বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে 11-18 বছরের মেয়ে এবং 11-21 বছরের ছেলেদের তথ্য সংগ্রহ শেষ পর্যায়ে। বাল্য বিবাহ বন্ধে অগ্রাধিকার প্রদান করবে মর্মে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের অঙ্গীকার গ্রহণ করা হয়েছে। অধিকন্তু  চাঁদপুর জেলাকে বাল্যবিবাহ মুক্ত করতে বিশেষ কর্মসূচি গৃহীত হয়েছে। গত এক বছরে এ জেলায় 106টি বাল্য বিবাহ রোধ করা হয়েছে। প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র/ছাত্রীরা শপথ নিয়েছেন তারা বাল্য বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হবেন না।বাল্যবিবাহ রোধকল্পে ডাটাবেইস সফটওয়্যার তৈরীর কার্যক্রম চলমান আছে।

 

17

Child Marriage Prevention Camping Through Facebook

ফেসবুকের মাধ্যমে গত মাসে ৫টি বাল্য বিবাহ বন্ধ করা হয়েছে। 

 কার্যক্রম চলমান

18

নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ডিজিটাল বোর্ড স্থাপন

সাধারন ভোক্তাগণ যাতে সহজেই নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির দাম অনলাইনে জেনে বাজার করতে পারেন, এ জন্য জেলা শহরের পুরান বাজারে একটি ডিজিটাল মনিটরিং বোর্ড স্থান করা হয়েছে। নিত্য দিনের বাজার মূল্য প্রতিদিন জেলা প্রশাসনের ওয়েব পোর্টালে দেয়া হচ্ছে। এর ফলে সাধারণ ভোক্তগণ বাসায় বসে অনলাইনে বাজারমূল্য জেনে প্রতারিত না হয়ে সহজেই বাজার করতে পারছেন।

কার্যক্রম চলমান

19

ই-হেল্থ চালু

জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সিভিল সার্জন ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার (সকল), চাঁদপুর এর নেতৃত্বে প্রতিটি ইউডিসি হতে যাতে প্রত্যন্ত অঞ্চলের রোগীরা উপজেলা সদরে অবস্থিত হাসপাতাল/ জেলা সদরের হাসপাতাল হতে অনলাইনে/ স্কাইপের মাধ্যমে চিকিৎসা সেবা  (ই-হেলথ) গ্রহণ করতে পারে সে ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে।

গত এক বছরে এ জেলার প্রায় 7500 জন রোগীকে ইউডিসির মাধ্যমে  ই-হেল্থ সেবা প্রদান করা হয়েছে। কমিউনিটি হেল্থ কেয়ার সেন্টারকেও কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।

20

মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন

জেলা প্রশাসক ও  সিভিল সার্জন এর নেতৃত্বে বিভিন্ন বিভাগের বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের সমন্বয়ে বেসরকারিভাবে ৪০টি মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়েছে এবং প্রায় 50,000 রোগীকে সেবা দেয়া হয়েছে।

 

21

ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও যানবাহন নিয়ন্ত্রণ

জেলা প্রশাসন, পুলিশ সুপার, মেয়র, চাঁদপুর পৌরসভার উদ্যোগে এবং জেলা প্রশাসনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে চাঁদপুর শহরের রাস্তার ব্যবস্থাপনা, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও যানবাহন নিয়ন্ত্রণ, উন্নয়ন ও সংস্কার কার্যের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

কার্যক্রম চলমান

22

সকল সরকারি দপ্তরকে সোশ্যাল মিডিয়া

(ফেসবুক গ্রুপে) অন্তর্ভুক্ত করা

সকল সরকারি দপ্তরকে সোশ্যাল মিডিয়া (ফেসবুক গ্রুপে) অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বর্তমানে ফেসবুকের সদস্য সংখ্যা 4900 জন এবং ফলোয়ার 6500  জন।

কার্যক্রম চলমান

23

ভিডিও কনফারেন্সিং

জেলা তথ্য অফিসার, চাঁদপুর এর নেতৃত্বে উঠান বৈঠকের সময় ভিডিও কনফারেন্সিং এর মাধ্যমে সাধারণ জনগণের মাঝে সরকারি তথ্য পৌঁছে দেয়া হচ্ছে।প্রক্রিয়ায় প্রায় 30টি উঠান বৈঠকের মাধ্যমে 42০০ লোককে তথ্য দেয়া হয়েছে।

কার্যক্রম চলমান

24

ভাসমান খাঁচায় মাছ চাষ

চাঁদপুর জেলা প্রশাসন ও জেলা মৎস্য অফিসের নেতৃত্বে ইতিমধ্যে সফলভাবে ভাসমান খাঁচায় মাছ চাষের অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপিত হয়েছে। ডাকাতিয়া নদীতে চলছে তেলাপিয়া, পাঙ্গাস, কইসহ বিভিন্ন প্রজাতির দেশী মাছের চাষ। এই মডেল সারা জেলায় সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন জলাভূমিতে আরও নতুন নতুন প্রজাতির মাছ চাষের মাধ্যমে জনগণকে স্বাবলম্বী করে তোলা হবে।বছরে প্রায় ৫০০ মে:টন মাছ উৎপাদিত হচ্ছে।

খাচায় মাছ চাষের কোন নীতিমালা না থাকায় ব্যবস্থাপনায় সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে।

25

প্রবাসীদের ডাটাবেইস তৈরী

এ জেলার ৭২ হাজার প্রবাসীর ডাটাবেইস তৈরি করা হয়েছে।

 

26

ইউনিয়ন পরিষদে ই-লাইব্রেরী প্রতিষ্ঠা

ইউনিয়ন পরিষদে ই-লাইব্রেরী প্রতিষ্ঠার কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে ৩টি ইউনিয়ন পরিষদে     ই-লাইব্রেরী প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। উক্ত লাইব্রেরী থেকে সপ্তাহে প্রায় ৫০ জন ব্যক্তি বই পড়া এবং অন্যান্য সেবা গ্রহণ করছে।

আগামী জুলাই 2017 মাসের মধ্যে সকল ইউনিয়নে ই-লাইব্রেরী প্রতিষ্ঠা করা হবে।

27

ক্রীড়া মাস

2015 সাল থেকে প্রতি বছর নভেম্বর মাসে জেলার ক্রীড়ামোদিদের নিয়ে  চাঁদপুর জেলা ক্রীড়া সংস্থা কর্তৃক ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা ও আনন্দঘন পবিবেশে ক্রীড়া মাস অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। যা চাঁদপুরের ক্রীড়াঙ্গনে প্রাণ সঞ্চার করেছে। প্রতি বছর এ জেলার 8টি উপজেলার খেলোয়াড়রা মাস ব্যাপী বিভিন্ন ইভেন্টে অংশ গ্রহণ করে থাকে।

ক্রীড়াবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।  ক্রীড়াবিদরা উৎসাহিত ও উজ্জীবিত হয়েছে। আশা করা যায় এই উদ্যোগের  ক্রমান্বয়ে ভাল ভাল  ক্রীড়াবিদ তৈরী হবে।

28

সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক মাস

শিল্প সাহিত্য ও সংস্কৃতির উর্বর জনপদ চাঁদপুর। এ জেলার সাহিত্য ও সংস্কৃতির রয়েছে উজ্জ্বল ঐতিহ্য। চাঁদপুরের সংস্কৃতি চর্চার সেই ঐতিহ্য ও ধারাবাহিকতাকে আরও সংগঠিত ও গতিশীল করার লক্ষ্যে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এবং জেলা শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে ২০১৫ সাল থেকে উদযাপিত হচ্ছে ‘সাংস্কৃতিক মাস’। জেলার প্রায় ৪০টি সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান/সংগঠনের স্বত:স্ফূর্ত অংশগ্রহণে- জেলা পর্যায়ের সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা, সংগীতানুষ্ঠান, নৃত্যানুষ্ঠান, বিতর্কানুষ্ঠান, নাটক, চিত্র প্রদর্শনী, স্বরচিত কবিতা পাঠ ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মাধ্যমে পহেলা বৈশাখ থেকে মাসব্যাপী এই কর্মসূচি সম্পন্ন হয়ে থাকে।

জেলার সাহিত্য ও সংস্কৃতির উজ্জ্বল ঐতিহ্যকে সাংস্কৃতিক মাস আরও উজ্জলতর করেছে। সংস্কৃতির বিকাশে এক সোনালী যুগের সূচনা করেছে। প্রতি বছর বৈশাখ মাসটি চাঁদপুরের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে সংস্কৃতি প্রেমীদের মিলন মেলায় পরিনত হয়েছে। এ ধারা অব্যাহত থাকলে অচীরেই চাঁদপুর হবে এদেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গণের নতুন এক তীর্থ স্থান।

29

চাঁদপুর জেলার রেজিস্টার্ড সিএনজি অটোরিক্সা চিহ্নিতকরণ।

অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে এ জেলার রেজিস্টার্ড সিএনজি অটোরিক্সার সামনের দিক হলুদ রং করা হয়েছে।  ফলে রেজিস্ট্রেশন বিহীন কিংবা এ জেলার নয় এমন সিএনজি অটোরিক্সা সহজেই চিহ্নিত করা যাচ্ছে। এর ফলে জেলায় যানজট কমেছে এবং সিএনজি অটোরিক্সা চালকদের মাঝেও স্বস্তি কাজ করছে।

জেলার জনগন এ উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছে।

 

          বিঃদ্রঃ কিছু কিছু উদ্যোগ ব্যর্থ হয়েছে। অধিকন্তু, স্যারের (মুখ্য সচিব থাকাকালীন)  নির্দেশনা অনুযায়ী গৃহীত 3 বছরের উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন কার্যক্রম দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলেছে।

 

 

 

(মোঃ আব্দুস সবুর মন্ডল)

জেলা প্রশাসক

চাঁদপুর।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

         
 
 
 
 
   

Qwe-08(K)

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 


 

 

     
 
 
 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

     
   
 
 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 


 

 

     
 
 
   

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

                                                    

 

 

 

 
 

 

 

ছবি


সংযুক্তি