মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট, নদী কেন্দ্র, চাঁদপুরের বিগত ০৪ (চার) বৎসরের অর্জন সংক্রান্ত তথ্য

 

ক্রমিক নং

চলমান এবং গৃহীত উন্নয়ন কর্মকান্ড

উদ্দেশ্য

অর্জিত সাফল্য

1.      

সিলেট অঞ্চলের প্লাবন ভূমির মৎস্য উৎপাদন ও জীব বৈচিত্রের উপর মৎস্য অয়াশ্রমের প্রভাব নির্ণয়

 

·   সরকারী, বে-সরকারী এবং  বিভিন্ন ব্যক্তি উদ্যোক্তা কর্তৃক উন্নয়নকৃত অভয়াশ্রমের ধরণ এবং সংখ্যা নির্ণয়।

·    অভয়াশ্রমের ভিতরে এবং বাহিরে মৎস্য প্রজাতির বৈচিত্রতা নির্ণয় এবং  তুলনা  করা।

·     পস্নাবনভুমিতে নার্সারী স্থাপন এবং পস্নাবনভুমির মৎস্য উৎপাদন ও জীববৈচিত্রার উপর এর প্রভাব নির্ণয়।

·     অভয়াশ্রমের ভিতরে এবং বাহিরে বিদ্যমান জলজ আগাছা এবং পাখির তথ্য সংগ্রহ।

·     অভয়াশ্রমের ভিতরে এবং বাহিরের মাটি ও পানির ভৌত রাসায়নিক গুণাগুণ নির্ণয়।

·     অভয়াশ্রমের বাহিরে এবং অভয়াশ্রমের ভিতরের মাছের উৎপাদনের তুলনা করা।

·     সর্বোপরি পস্নাবনভুমিতে অভয়াশ্রম প্রতিষ্ঠার ফলে মাছের উৎপাদন এবং জীববৈচিত্রের উপর এর প্রভাব জানা।

·    হাইল হাওরের মৎস্য প্রজাতি বৈচিত্র্য নিরম্নপন করা হয়েছে।

·     অভয়াশ্রম প্রতিষ্ঠার ফলে অনেক বিরল প্রজাতির মাছ যেমন-আইড়, কই, মেনি, পাবদা, ফলি, চিতল, বাচা, গনিয়া ও সরপুঁটি ইত্যাদির পুনঃপ্রজনন ও প্রবেশন বৃদ্ধি পেয়েছে।

·      বিভিন্ন ফিশিং গিয়ারের CPUE ১০-৬০% পর্যমত্ম বৃদ্ধি পেয়েছে।

·    হাওরের মৃত্রিকা ও পানির ভৌত-রাসায়নিক গুণাগুণ নির্ণয় করা হয়েছে।

·      বর্তমান অর্থ বৎসরে আরো গবেষণা কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

2.     

ডাকাতিয়া নদীতে খাঁচায় মনোসেক্স তেলাপিয়া চাষ

 

§     খাঁচায় মাছ চাষের উপযোগী মজুদ ঘনত্ব, পোনার  আকার, খাদ্য প্রয়োগ মাত্রা পুণঃপ্রমিতকরণ ।

§      খাঁচায় মনোসেক্স তেলাপিয়া চাষে পানির স্রোতের প্রভাব নির্ণয়।

§     খাঁচায় মনোসেক্স তেলাপিয়া চাষে খাবারের সাথে মাছের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিকল্পে ব্যবহৃত ইমিউনাইজিং এজেন্ট এর প্রভাব।

§      খাঁচায় মাছ চাষে পরিদৃষ্ট  বালাই সংক্রমনের  কারণ অনুসন্ধান ও তা প্রতিরোধকল্পে ব্যবস্থা গ্রহণ।

§    খাঁচায় মাছ চাষের জলাশয়ের মাটি ও পানির ভৌত রাসায়নিক গুণাগুণ নির্ণয়।

§    চাঁদপুর সফরকালীন সময়ে খাঁচায় মাছ চাষ শীর্ষক প্রযুক্তি মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণে সক্ষম হয় এবং তিনি তা দেশব্যাপী সম্প্রসারণের নির্দেশ প্রদান করেন। মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর নির্দেশ মোতাবেক সারা দেশে খাঁচায় মাছ চাষ প্রযুক্তি সম্প্রসারণের লক্ষে মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ও মৎস্য অধিদপ্তরের সম্মিলিত প্রয়াসে একটি উন্নয়ন প্রকল্প প্রণয়ন করা হয়েছে।

·     খাঁচায় মাছ চাষে খাঁচার আকার, উপযোগী স্থান নির্বাচন ও সহজলভ্য উপকরণ নির্ণয় করা হয়েছে।

·     খাঁচায় মাছ চাষের উপযোগী প্রজাতি, মজুদ ঘনত্ব ও পোনার আকার  প্রমিতকরণ করা হয়েছে।

·     খাঁচায় মাছ চাষে ব্যবহৃত খাদ্য প্রয়োগ মাত্রা প্রমিতকরণ করা হয়েছে।

·     খাঁচায় মাছ চাষে পরিদৃষ্ট বালাই সংক্রমনের কারণ অনুসন্ধান ও তা প্রতিরোধকল্পে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

·     মৎস্য অধিদপ্তরের মাধ্যমে প্রযুক্তি চাঁদপুর ও লক্ষ্মীপুরে সম্প্রসারিত হচ্ছে।

 

* মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর নির্দেশ মোতাবেক সারা দেশে খাঁচায় মাছ চাষ প্রযুক্তি সম্প্রসারণের লক্ষে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ও মৎস্য অধিদপ্তরের সম্মিলিত প্রয়াসে একটি উন্নয়ন প্রকল্প প্রণয়নপূর্বক ইতোমধ্যে মন্ত্রণালয়ে পেশ করা হয়েছে।

 

3. 

পুকুরে দেশী পাঙ্গাস মাছের পোনা উৎপাদন

 

·     প্রণোদিত প্রজননের মাধ্যমে উৎপাদিত দেশী পাঙ্গাসের পোনার ব্রম্নড উন্নয়ন ।

·    নদী বা প্রাকৃতিক উৎস  হতে সংগৃহীত দেশী পাঙ্গাসের পোনার ব্রম্নড উন্নয়ন।

·    দেশী পাঙ্গাসের প্রণোদিত প্রজনন পদ্ধতির উন্নয়ন।

·     দেশী পাঙ্গাসের পোনার লালন-পালন পদ্ধতির উন্নয়ন।

·     সর্বোপরি প্রণোদিত প্রজননের মাধ্যমে দেশী পাঙ্গাসের ব্যপকভিত্তিক পোনা উৎপাদন এবং বিতরণ।

·         হ্যাচারীতে কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে দেশী পাঙ্গাস মাছের পোনা উৎপাদনে প্রাথমিক সফলতা অর্জিত হয়েছে।

·         প্রণোদিত প্রজননের মাধ্যমে উৎপাদিত পোনার লালন-পালন পদ্ধতি উদ্ভাবন ও ব্রড ফিশ উন্নয়ন করা হচ্ছে।

4.   

বাংলাদেশে প্রচলিত বিভিন্ন ধরণের মৎস্য আহরণ উপকরণের প্রকৃতি নির্ণয় এবং নদীর মৎস্যকূল ও পরিবেশের উপর এর প্রভাব নিরম্নপন

·    বাংলাদেশের বিভিন্ন নদ-নদীতে ব্যবহৃত বিভিন্ন মৎস্য আহরণ উপকরণের প্রকৃতি নির্ণয় করে তার মধ্যে ক্ষতিকর এবং ক্ষতিকর নয় এমন মৎস্য আহরণ উপকরণের তালিকা তৈরিপুর্বক একটি সুপারিশমালা প্রণয়ন করার লক্ষ্যে ২০১০-২০১১ আর্থিক সালে  নদী কেন্দ্র, চাঁদপুর হতে একটি প্রকল্প  গ্রহণ করা হয়েছে।

·বাংলাদেশের বিভিন্ন নদ-নদীতে ব্যবহৃত বিভিন্ন মৎস্য আহরণ উপকরণের শ্রেণীবিন্যাস ও প্রকৃতি নির্ণয় করা হয়েছে।

·ইতোমধ্যে ৫টি  ক্ষতিকর মৎস্য আহরণ উপকরণ সনাক্ত করা হয়েছে।

·ক্ষতিকারক উপকরণের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্থ মৎস্য প্রজাতির তালিকা প্রস্ত্তত করা হচ্ছে।

5. 

পদ্মা, মেঘনা ও ডাকাতিয়া নদীর বায়োমনিটরিং

·    পদ্মা, মেঘনা ও ডাকাতিয়া নদীর ইকোসিস্টেমের ভৌত-রাসায়নিক ও জৈবিক গুণাবলী নিরূপন

·    উপরোক্ত নদীগুলোর মাটি, পানি ও বিদ্যমান মৎস্য প্রজাতিসমূহে ভারী ধাতুর (Heavy Metal) পরিমাণ নিরূপন

গবেষণায় দেখা গেছে -

·পদ্মা, মেঘনা ও ডাকাতিয়া নদীর পানির  কিছু কিছু রাসায়নিক ও ভৌত গুণাবলী স্বাভাবিক মাত্রার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

·নদীসমূহের পানিতে ফাইটো পস্ন্যাঙ্কটনের চেয়ে জু-পস্ন্যাঙ্কটনের অধিক্য পরিলক্ষিত  হচ্ছে।

·নদীসমূহের পানি ও মাটিতে ভারী ধাতুর (Heavy Metal) উপস্থিতি লক্ষ করা গেছে।

·গবেষণার আওতাভুক্ত তিনটি নদীর মধ্যে ডাকাতিয়া নদীতে তুলনামূলক দূষণের মাত্রা বেশী